counter

শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণ চাই, আর কোন দাবী নাই

আমি যখন বৈদ্যুতিক বাতি জ্বালাই তখনই টমাস আলভা এডিসনকে দেখতে পাই। বীজগণিতের পাতায় পাতায় আল-খোওয়ারিজমিকে খুঁজে পাই। বিমানের উড্ডয়ন দেখলেই আব্বাস ইবনে ফিরনাস আর রাইট ব্রাদার্স দের কথা মনে পড়ে যায়। যখন কম্পিউটারে বসি তখনই সম্মান জানাই চ্যার্লস ব্যাবেজের প্রতি। আমার এক ঘনিষ্টজন বলল- যাদেরকে তুমি কখনো দেখনি তাদের প্রতি কেন সম্মান জানাও? কেনই বা বিশ্বাস কর? এমন কেউ ছিল কখনো?

শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণ চাই, আর কোন দাবী নাই

আমি তাকে বললাম- একটি বাতি অন্ধকার ঘরকে আলোকিত করল, তুমি সে আলোয় সব দেখলে অথচ সেই বাতির স্রষ্টাকে দেখলে না। বাতির আলো তোমার বাহ্যদৃষ্টি দান করেছে ঠিকই কিন্তু সে আলো অন্তর পর্যন্ত পৌঁছেনি।

আমাদের এডুকেশন সেক্টরে যে সমস্ত আমলারা ঘাপটি মেরে বসে আছে তারা কোন না কোন শিক্ষকের সন্তান বা ছাত্র। তারা শিক্ষার আলোয় নিজেকে আলোকিত করেছে কিন্তু সে আলো অন্তর পর্যন্ত পৌছেনি।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী! আপনি যখন আন্তর্জাতিক অংগনে কোন বাংলাদেশীকে দেখতে পান, যখন কোন বাংলাদেশী বিশ্ব অংগনে স্থান দখল করে, যখন কোন বাংলাদেশী বিশ্বসেরা খেলোয়াড়, প্রোগ্রামার, বিজ্ঞানী, গবেষক হয় তখন কি আপনার মান মর্যাদা উজ্জল হয় না? এর মুলে কি এই শিক্ষক সমাজ না? তাহলে কেন এত অবহেলা? যদি এই ৯৭% শিক্ষক সমাজের অবদান থাকে তাহলে তাদেরকে অবহেলার চোখে দেখবেন না, প্লিজ।

তাই অনতিবিলম্বে উপরোক্ত সমস্যার সমাধান সহ একযোগে শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণ করবেন এ প্রত্যাশা করে আপামর জনগণ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *