এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদন ২০২৬ নিয়ে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান হয়েছে। বেসরকারি স্কুল ও কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির জন্য অনলাইনে আবেদন গ্রহণের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২১ আগস্ট ২০২৬ থেকে ২৭ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত অনলাইনে বদলির আবেদন করা যাবে।
বদলিতে আগ্রহী শিক্ষকরা মোবাইলে পাঠানো ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে নির্ধারিত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে আবেদন করতে পারবেন। একজন আবেদনকারী তার পছন্দের ক্রমানুসারে সর্বোচ্চ ৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বদলির আবেদন করতে পারবেন। আবেদনগুলো বদলি নীতিমালা অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে যাচাই-বাছাইয়ের পর বদলির আদেশ জারি করা হবে।

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদন ২০২৬ কবে শুরু?
মাউশির ১৮ আগস্ট ২০২৬ তারিখের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের অনলাইন বদলি আবেদন শুরু হবে ২১ আগস্ট ২০২৬ এবং আবেদন গ্রহণ চলবে ২৭ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত।
অর্থাৎ, আবেদন করার জন্য শিক্ষকদের হাতে মোট সাত দিনের সময় থাকবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।
এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময়সূচি
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| আবেদনের নাম | এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদন ২০২৬ |
| আবেদন শুরু | ২১ আগস্ট ২০২৬ |
| আবেদনের শেষ তারিখ | ২৭ আগস্ট ২০২৬ |
| আবেদন পদ্ধতি | অনলাইন |
| পছন্দের প্রতিষ্ঠান | সর্বোচ্চ ৩টি |
| আবেদন ওয়েবসাইট | ngttdshe.teletalk.com.bd |
| ব্যবহার করতে হবে | মোবাইলে পাঠানো ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড |
| কর্তৃপক্ষ | মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) |
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদন ২০২৬

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বদলিতে আগ্রহী শিক্ষকরা মোবাইলে পাঠানো ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে অনলাইনে আবেদন করবেন।
বদলি আবেদনের ওয়েবসাইট:
ngttdshe.teletalk.com.bd
আবেদনের সময় শিক্ষককে তার যোগ্যতা ও প্রযোজ্য বদলি নীতিমালা অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানের পছন্দ দিতে হবে। একজন শিক্ষক সর্বোচ্চ তিনটি প্রতিষ্ঠানে পছন্দক্রম উল্লেখ করতে পারবেন। এরপর বদলি নীতিমালা অনুযায়ী সফটওয়্যারের মাধ্যমে আবেদন যাচাই করা হবে।
গুরুত্বপূর্ণ: শুধু আবেদন করলেই বদলি নিশ্চিত হবে না। শূন্য পদ, নীতিমালার শর্ত এবং স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের যাচাই প্রক্রিয়ার ভিত্তিতে বদলি কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।
কারা এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন?
প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি ও সংশোধিত বদলি নীতিমালা অনুযায়ী, চাকরিতে প্রথম যোগদানের পর দুই বছর পূর্ণ হলে একজন এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন। একইভাবে, একবার বদলি হয়ে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের পর পরবর্তী বদলির জন্য আবেদন করতে হলে নতুন কর্মস্থলে কমপক্ষে দুই বছর চাকরি করতে হবে।
এখানে একটি বিষয় বিশেষভাবে মনে রাখা দরকার, বদলির আবেদন করার সুযোগ থাকা এবং বদলি পাওয়া এক বিষয় নয়। আবেদন করার পর সংশ্লিষ্ট শর্ত ও শূন্য পদের ভিত্তিতে বদলি কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।
নিজ জেলায় বদলির আবেদন করা যাবে
এবারের বদলি প্রক্রিয়ায় শিক্ষকরা তাদের চাকরির আবেদনে উল্লেখ করা নিজ জেলায় বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন।
তবে নিজ জেলায় সংশ্লিষ্ট পদে শূন্য পদ না থাকলে, নিজের বিভাগের অন্য যেকোনো জেলায় বিদ্যমান শূন্য পদের বিপরীতে বদলির আবেদন করার সুযোগ থাকবে।
এ কারণে আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট শূন্য পদ ও নিজের পছন্দের প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে সতর্কভাবে তথ্য যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ।
স্বামী বা স্ত্রীর জেলা বা কর্মস্থলে বদলির সুযোগ
বিজ্ঞপ্তিতে পারিবারিক বিষয়ও বিবেচনায় রাখা হয়েছে। কোনো শিক্ষক চাইলে তার স্বামী বা স্ত্রীর নিজ জেলা অথবা কর্মস্থলের জেলায় বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন।
তবে এ ক্ষেত্রে স্বামী বা স্ত্রীর কর্মস্থল অবশ্যই নির্ধারিত প্রতিষ্ঠানের আওতায় হতে হবে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, স্বামী বা স্ত্রী সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান অথবা এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত হলে এই সুবিধার আওতায় আবেদন করা যাবে।
এ সংক্রান্ত তথ্য সফটওয়্যারে ভুলভাবে দেওয়া হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধান এবং আবেদনকারী শিক্ষক ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকবেন।
একজন শিক্ষক কয়টি প্রতিষ্ঠানে বদলির আবেদন করতে পারবেন?
এটি এবারের বদলি আবেদনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
একজন আবেদনকারী শিক্ষক তার পছন্দের ক্রমানুসারে সর্বোচ্চ ৩টি প্রতিষ্ঠানে বদলির আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
অর্থাৎ প্রথম পছন্দ, দ্বিতীয় পছন্দ ও তৃতীয় পছন্দ হিসেবে সর্বোচ্চ তিনটি প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করা যাবে।
তবে তিনটি প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করলেই যেকোনো একটি প্রতিষ্ঠানে বদলি নিশ্চিত হবে না। নীতিমালা অনুযায়ী সফটওয়্যারের যাচাই-বাছাই এবং সংশ্লিষ্ট শূন্য পদের ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত হবে।
এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদনের ১৪টি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা
মাউশির প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বদলি আবেদন ও পরবর্তী কার্যক্রমের বিষয়ে মোট ১৪টি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সহজ ভাষায় নির্দেশনাগুলো নিচে দেওয়া হলো।
১. ২১ থেকে ২৭ আগস্ট অনলাইনে আবেদন
বদলি হতে ইচ্ছুক শিক্ষকরা মোবাইলে পাঠানো ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে ২১ আগস্ট ২০২৬ থেকে ২৭ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।
২. সর্বোচ্চ ৩টি প্রতিষ্ঠানে আবেদন
একজন শিক্ষক তার পছন্দের ক্রমানুসারে সর্বোচ্চ ৩টি প্রতিষ্ঠানে বদলির আবেদন করতে পারবেন। প্রাপ্ত আবেদন বদলি নীতিমালা অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে যাচাই করা হবে।
৩. নিজ জেলায় বদলির সুযোগ
শিক্ষক তার চাকরির আবেদনে উল্লেখ করা নিজ জেলায় বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন। নিজ জেলায় সংশ্লিষ্ট পদে শূন্য পদ না থাকলে নিজের বিভাগের অন্য যেকোনো জেলায় বিদ্যমান শূন্য পদের বিপরীতে আবেদন করা যাবে।
৪. স্বামী বা স্ত্রীর জেলা বা কর্মস্থলে বদলি
স্বামী বা স্ত্রীর নিজ জেলা অথবা কর্মস্থলের জেলায় বদলির জন্য আবেদন করা যাবে, যদি স্বামী বা স্ত্রী সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকেন।
এই সংক্রান্ত তথ্য ভুল দেওয়া হলে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও আবেদনকারী শিক্ষক ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকবেন।
৫. প্রথম যোগদানের পর দুই বছর পূর্ণ হতে হবে
চাকরিতে প্রথম যোগদানের পর দুই বছর পূর্ণ হলে একজন শিক্ষক বদলির জন্য আবেদন করার যোগ্য হবেন।
৬. বদলির পরও দুই বছর চাকরি করতে হবে
একবার বদলি হয়ে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের পর সেখানে ন্যূনতম দুই বছর কর্মরত থাকার পর পরবর্তী বদলির জন্য আবেদন করা যাবে।
৭. ভুল বা অসম্পূর্ণ তথ্যের আবেদন বাতিল
অসম্পূর্ণ বা ভুল তথ্যযুক্ত আবেদন বিবেচনা করা হবে না। ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল তথ্য দেওয়ার বিষয়টি প্রমাণিত হলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
৮. বদলি আবেদন করলেই অধিকার তৈরি হবে না
শুধু বদলির আবেদন করার ভিত্তিতে কোনো শিক্ষক বদলিকে নিজের অধিকার হিসেবে দাবি করতে পারবেন না।
অর্থাৎ আবেদন করা মানেই বদলি নিশ্চিত নয়।
৯. বদলির জন্য টিএ/ডিএ পাওয়া যাবে না
বদলি হওয়ার কারণে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক কোনো ধরনের টিএ/ডিএ (ভ্রমণ বা দৈনিক ভাতা) পাওয়ার যোগ্য হবেন না।
১০. আদেশের ১০ দিনের মধ্যে অবমুক্ত করতে হবে
বদলির আদেশ জারি হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে ১০ দিনের মধ্যে বদলিকৃত শিক্ষককে বর্তমান কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত করতে হবে।
১১. অবমুক্তির পর ১০ দিনের মধ্যে যোগদান
বর্তমান কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত হওয়ার পর বদলিকৃত শিক্ষককে পরবর্তী ১০ দিনের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে।
১২. অবমুক্তি থেকে যোগদান পর্যন্ত সময় কর্মকাল হিসেবে গণ্য
বর্তমান প্রতিষ্ঠান থেকে অবমুক্ত হওয়ার পর নতুন কর্মস্থলে যোগদান পর্যন্ত সময়টি কর্মকাল হিসেবে গণ্য হবে।
১৩. স্টপ পেমেন্ট, সাময়িক বরখাস্ত বা ফৌজদারি মামলা থাকলে অযোগ্য
কোনো শিক্ষকের বিষয়ে স্টপ পেমেন্ট, সাময়িক বরখাস্ত বা ফৌজদারি মামলা চলমান থাকলে তিনি বদলির জন্য যোগ্য বিবেচিত হবেন না।
১৪. কর্তৃপক্ষ আদেশ পরিবর্তন বা বাতিল করতে পারবে
কর্তৃপক্ষ প্রয়োজন মনে করলে যেকোনো পরিস্থিতিতে বদলি সংক্রান্ত আদেশ পরিবর্তন, পরিমার্জন অথবা বাতিল করতে পারবে।
বদলি আবেদন করলেই কি বদলি নিশ্চিত হবে?
না। এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ।
অনলাইনে আবেদন করা মানেই বদলি নিশ্চিত হওয়া নয়। আবেদনকারীর তথ্য, বদলি নীতিমালার শর্ত এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের শূন্য পদ বিবেচনায় নিয়ে স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে আবেদন যাচাই করা হবে।
এরপর কর্তৃপক্ষ বদলিভিত্তিক পদায়নের আদেশ জারি করবে।
তাই কোনো শিক্ষক আবেদন করার আগে নিজের তথ্য, যোগদানের তারিখ, পছন্দের প্রতিষ্ঠান এবং প্রযোজ্য জেলা সংক্রান্ত তথ্য ভালোভাবে যাচাই করে নেওয়া উচিত।
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি নীতিমালা ২০২৬
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রমের মূল ভিত্তি হলো ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (স্কুল, কলেজ) কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলি নীতিমালা-২০২৬ (সংশোধিত)’।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এই সংশোধিত নীতিমালা ৬ মে ২০২৬ প্রকাশ করে। নীতিমালায় এমপিওভুক্ত বেসরকারি স্কুল ও কলেজের শিক্ষকদের নির্দিষ্ট শর্তে বদলির সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
নীতিমালাটি দেখুন:
এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলি নীতিমালা-২০২৬ (সংশোধিত)
বদলি আবেদনের আগে যেসব বিষয় যাচাই করবেন
আবেদন করার আগে কয়েকটি বিষয় বিশেষভাবে দেখে নেওয়া ভালো:
আপনার প্রথম যোগদানের পর দুই বছর পূর্ণ হয়েছে কি না।
মোবাইলে ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড পেয়েছেন কি না।
নিজের জেলার পছন্দের প্রতিষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট পদে শূন্য পদ রয়েছে কি না।
নিজ জেলায় সুযোগ না থাকলে নিজের বিভাগের অন্য জেলায় উপযুক্ত শূন্য পদ রয়েছে কি না।
স্বামী বা স্ত্রীর জেলা/কর্মস্থলের মাধ্যমে আবেদন করলে সংশ্লিষ্ট তথ্য সঠিক কি না।
সর্বোচ্চ তিনটি প্রতিষ্ঠানের পছন্দক্রম ঠিকভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে কি না।
আবেদন ফরমে কোনো ভুল বা অসম্পূর্ণ তথ্য রয়েছে কি না।
আবেদন সাবমিট করার আগে সব তথ্য পুনরায় যাচাই করা হয়েছে কি না।
বিশেষ করে ভুল তথ্য দিয়ে আবেদন না করার বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে কঠোর সতর্কতা দেওয়া হয়েছে।
এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদন ২০২৬ কবে?
২১ আগস্ট ২০২৬ থেকে অনলাইনে আবেদন শুরু হবে এবং ২৭ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।
এমপিও শিক্ষক বদলির আবেদন কোথায় করতে হবে?
মাউশির নির্ধারিত অনলাইন বদলি সফটওয়্যারের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।
একজন শিক্ষক কয়টি প্রতিষ্ঠানে বদলির আবেদন করতে পারবেন?
সর্বোচ্চ ৩টি প্রতিষ্ঠানে পছন্দক্রম অনুযায়ী আবেদন করতে পারবেন।
বদলির জন্য কত বছর চাকরি করতে হবে?
প্রথম কর্মস্থলে যোগদানের পর দুই বছর পূর্ণ হলে বদলির আবেদন করা যাবে।
বদলি হওয়ার পর আবার কবে আবেদন করা যাবে?
নতুন কর্মস্থলে যোগদানের পর ন্যূনতম দুই বছর চাকরি করার পর পরবর্তী বদলির জন্য আবেদন করা যাবে।
নিজ জেলায় বদলি হওয়া যাবে কি?
হ্যাঁ। চাকরির আবেদনে উল্লেখ করা নিজ জেলায় বদলির জন্য আবেদন করা যাবে। নিজ জেলায় শূন্য পদ না থাকলে নিজের বিভাগের অন্য জেলায় শূন্য পদের বিপরীতে আবেদন করার সুযোগ রয়েছে।
স্বামী বা স্ত্রীর কর্মস্থলে বদলি হওয়া যাবে?
নীতিমালার শর্ত পূরণ হলে স্বামী বা স্ত্রীর নিজ জেলা অথবা কর্মস্থলের জেলায় বদলির আবেদন করা যাবে।
আবেদন করলেই কি বদলি নিশ্চিত?
না। আবেদন করার ভিত্তিতে বদলির অধিকার সৃষ্টি হবে না। নীতিমালা, শূন্য পদ এবং সফটওয়্যারের যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে বদলি কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।
শেষ কথা
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদন ২০২৬ নিয়ে যারা এতদিন অপেক্ষায় ছিলেন, তাদের জন্য ১৮ আগস্টের মাউশির বিজ্ঞপ্তিটি গুরুত্বপূর্ণ আপডেট। এবার প্রথমবারের মতো নির্ধারিত সফটওয়্যারের মাধ্যমে অনলাইনে বদলি আবেদনের সুযোগ বাস্তবে কার্যকর হচ্ছে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তারিখ হলো ২১ আগস্ট থেকে ২৭ আগস্ট ২০২৬। এই সময়ের মধ্যে যোগ্য শিক্ষকরা মোবাইলে পাওয়া ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে আবেদন করতে পারবেন। একজন শিক্ষক সর্বোচ্চ তিনটি প্রতিষ্ঠানের পছন্দ দিতে পারবেন।
আবেদন করার আগে অবশ্যই নিজের যোগ্যতা, যোগদানের সময়, শূন্য পদ এবং অন্যান্য তথ্য যাচাই করে সঠিক তথ্য দিয়ে আবেদন করা উচিত। কারণ ভুল বা অসম্পূর্ণ তথ্যের আবেদন বিবেচনা করা হবে না এবং ইচ্ছাকৃত ভুল তথ্যের ক্ষেত্রে শাস্তির বিধান রয়েছে।
সর্বশেষ আপডেট: ১৮ আগস্ট ২০২৬
তথ্যের উৎস: মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ।
লেখাপড়া বিডি বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা বিষয়ক বাংলা কমিউনিটি ব্লগ

