মো: ইকবাল হোসেন: বিশ্ব শিক্ষক দিবস ২০২৫ উপলক্ষে বাংলাদেশের গুণী শিক্ষকদের অবদানকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করার লক্ষ্যে ০৫ অক্টোবর ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দে ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ কর্তৃক “গুণী শিক্ষকদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান”-এর আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে ‘সিনিয়র মাদরাসা শিক্ষক’ ক্যাটাগরিতে গুণী শিক্ষক হিসেবে সম্মাননা অর্জন করেন তানযীমুল উম্মাহ আলিম মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রিন্সিপাল ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন। শিক্ষাক্ষেত্রে তাঁর অবিচল নিষ্ঠা, সততা ও লব্ধ জ্ঞানের আলো ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব জনাব রেহানা পারভীন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাননীয় শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার। তিনি গুণী শিক্ষকদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদ তুলে দেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এস. এম. এ. ফায়েজ, ইউনেস্কো ঢাকা অফিসের প্রধান ড. সুসান ভাইজ, এবং ইসলামিক ওয়ার্ল্ড এডুকেশনাল, সায়েন্টিফিক অ্যান্ড কালচারাল অর্গানাইজেশন (ICESCO)-এর মহাপরিচালক ড. সালিম এম. আল মালিক।
অনুষ্ঠানে বক্তারা শিক্ষকদের ভূমিকা, দায়িত্ববোধ এবং জাতি গঠনে তাঁদের অবদান সম্পর্কে আলোকপাত করেন। তাঁরা বলেন, “একজন আদর্শ শিক্ষক শুধু পাঠদানই করেন না, তিনি সমাজে আলোকবর্তিকা হিসেবে প্রজন্মকে সৎ, দেশপ্রেমিক ও মানবিক নাগরিকে পরিণত করেন।”
অনুষ্ঠান শেষে ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, “এই সম্মাননা আমার ব্যক্তিগত নয়; এটি আমার সহকর্মী শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও প্রতিষ্ঠানের সম্মিলিত প্রয়াসের স্বীকৃতি। শিক্ষা হলো সমাজ পরিবর্তনের সবচেয়ে শক্তিশালী মাধ্যম।”
এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবস ২০২৫ পরিণত হয় শিক্ষকদের অবদানকে শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতায় স্মরণ করার এক মহিমান্বিত দিনে।
লেখাপড়া বিডি বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা বিষয়ক বাংলা কমিউনিটি ব্লগ

