statistics

যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস পালিত হয় আইইউবিএটিতে

বিনম্র শ্রদ্ধা ও জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের নানাভাবে স্বরণের মধ্য দিয়ে  মহান বিজয় দিবস উদযাপন করা করেছে ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এগ্রিকালচার এন্ড টেকনোলজি (আইইউবিএটি)।  মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার (১৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা থেকে আইইউবিএটি ক্যাম্পাসে মনোরম আলোকসজ্জা করা হয় যা বুধবার (১৬ডিসেম্বর) রাতেও চলমান থাকে।

নতুন বিকাশ এপ ইন্সটল করলেই পাচ্ছেন ১০০ টাকা বোনাস। বিকাশ এপ ইন্সটল করুন

গতকাল (১৬ডিসেম্বর) (বুধবার)সকাল ৬টায়  আইইউবিএটির ক্যাম্পাসে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্যে দিয়ে বিজয় দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়। পরে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে ১ মিনিট নিরবতা পালন ও বিশেষ দোয়া প্রার্থনা করা হয়। এসময়  উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের  রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান  এবং পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. মো. জাহিদ হোসেন (অব.) সহ অন্যান্য শিক্ষক কর্মকর্তা কর্মচারি।

এছাড়াও নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের ঘটনাবলী তুলে ধরতে  সকাল নয়টায়  এক ভার্চুয়াল আলোচনার  আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে মহান  মুক্তিযুদ্ধে বীর শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা ও সবাইকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করে সুচনা বক্তব্যে আইইউবিএটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুর রব বলেন মহান বিজয় দিবস  বাঙ্গালী জাতীর সর্ব শ্রেষ্ঠ দিন। বহু সংগ্রাম, তাজা রক্ত, অনেক তাজা প্রাণ, মা-বোনদের সম্ভ্রমহানী এবং সঠিক নেতৃত্বের মাধ্যমে বাঙ্গালী জাতি লাভ করে তাদের প্রিয় স্বাধীনতা। স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি ও হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে এই দেশে উদিত হয়েছিল নতুন এক সূর্য।

তিনি আরো বলেন এবারের বিজয় দিবস এসেছে ভিন্ন এক প্রেক্ষাপটে। ২০২০ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং সামনের বছর ২০২১ সালে স্বাধীনতা অর্জনের সুবর্ণজয়ন্তী  উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ ও ডিজিটাল প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহারের মাধ্যমে জাতীয় সমৃদ্ধি অর্জন করতে হবে। তিনি আরো বলেন আমাদের শিক্ষার্থীসহ নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের ঘটনাবলী তুলে ধরতে আইইউবিএটিতে ‘ফ্রিডম ইজ লাইফ’ নামে একটি মুক্তিযুদ্ধ কর্নার রয়েছে। তাতে সাজানো  রয়েছে  মুক্তিযুদ্ধের অনেক বই। মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন দিক নিয়ে ২০০টি রিপোর্ট ও জার্নাল আছে। তিনি বেঁচে থাকা সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের দির্ঘায়ু কামনা করেন।

আইইউবিএটির উপ উপাচার্য  অধ্যাপক ড. হামিদা আখতার বেগম  এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অলোচনায় অংশ নেন আইইউবিএটির শিক্ষকগ্ণ তাদের বক্তব্যের মাধ্যমে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদানের কথা তুলে ধরেন। ভার্চুয়াল আলোচনা অনুষ্ঠানে  শিক্ষক শিক্ষার্থী, অ্যালামনাই এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ গ্রহন করেন।  

পোষ্টটি লিখেছেন: শাহাদাত হোসেন শাকিল

শাহাদাত হোসেন শাকিল এই ব্লগে 33 টি পোষ্ট লিখেছেন .

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *