statistics

মাদরাসা শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে বৈষম্য কেন? – নাসির উদ্দিন মানিক

বাংলাদেশের সংবিধান শিক্ষাকে সকলের জন্য সমান মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দিলেও বাস্তবে তা বাস্তবায়ন হচ্ছে না।

বাংলাদেশে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ দিলেও তা দিনদিন হ্রাস করা হচ্ছে। প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পর ভর্তি বৈষম্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে। ভর্তি পরীক্ষা বাদে জিপিএ এর ভিত্তিতে ভর্তির কথা থাকলেও মাদরাসা শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে তা বাস্তবায়ন হচ্ছে না। মাদরাসা থেকে ভালো পয়েন্ট পাওয়া সত্ত্বেও ভালো সাবজেক্ট দিচ্ছে না কর্তৃপক্ষ। দাখিলে জিপিএ৫ এবং আলিমে জিপিএ৪.৯৩ পেয়েও Choice List এ ইসলাম শিক্ষা ছাড়া কোনো সাবজেক্ট আসতেছে না। খবর নিয়ে দেখছি, অধিকাংশ মাদরাসা শিক্ষার্থীদের একই অবস্থা। অপরদিকে কলেজ থেকে জিপিএ৩.১৪ পেয়ে বাংলা আর দর্শন পাচ্ছে আমার অনেক বন্ধু। আরও আশ্চর্যের বিষয় হলো, আমার আরেক বন্ধু দাখিলে জিপিএ৪.৫০ এবং আলিমে জিপিএ৩.৭৮ পেয়েও ইসলাম শিক্ষা! তো পার্থক্য থাকলো কোথায়?

এ ধরনের ভর্তি বৈষম্য খুবই দুঃখ ও লজ্জা জনক। এ ধরনের ভর্তি বৈষম্যে জাতি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি আস্থা হারাবে এটাই স্বাভাবিক। সংবিধান এর দিকে তাকালে তা স্পষ্ট বিরোধী। বর্তমান সরকার শিক্ষাকে সকলের জন্য সমান সুযোগ করে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করলেও বারবার হতাশ হতে হচ্ছে। সুতরাং কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করব, যেন অচিরেই এ বৈষম্য দূর করা হয়।

ফটিকছড়ি, চট্টগ্রাম।
www.facebook.com/nasir.uddinmanik.14

পোষ্টটি লিখেছেন: Nasir Uddin Manik

এই ব্লগে 7 টি পোষ্ট লিখেছেন .

ফেসবুক থেকে জানুন।

4 comments

  1. মাহমুদা রহমান নাহিদা

    এই সরকারের শিক্ষামন্ত্রী সমগ্র শিক্ষা
    ব্যবস্থা ধ্বংস করে দিচ্ছেন। পরীক্ষার
    আগে প্রশ্নপত্র ফাঁস হচ্ছে। একদল প্রশ্ন সংগ্রহ করছে, আরেক দল পড়াশোনা করছে। যারা পড়াশোনা করছে তাদের মূল্যায়ন হচ্ছে না।

  2. জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় যেভাবে শুরু করেছে তাতে জাতী লেগাম বিহিন হয়ে পড়বে

Leave a Reply

Your email address will not be published.