গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধু প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে গ্রীষ্মকালীন ও ঈদের দীর্ঘ ছুটি

গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ( বশেমুরবিপ্রবি ) গ্রীষ্মকালীন ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দীর্ঘ ছুটি শুরু হচ্ছে। ছুটি শুরু হবে ১১ জুন বৃহস্পতিবার থেকে ২০ জুলাই সোমবার পর্যন্ত।যদিও এর মাঝখানে দুই সপ্তাহ ক্লাস হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।BSMUST_logo-150x150

গ্রীষ্ম এসেছে সেই কবে, এখন চলছে জৈষ্ঠ্য মাস। অবশেষে এসে গেলো বশেমুরবিপ্রবির গ্রীষ্মকালীন অবকাশের ছুটি। কিন্তু দাপ্তরিকভাবে শুরু হওয়ার দুইদিন আগেই শিক্ষার্থীদের ছুটি শুরু হয়েছে। বশেমুরবিপ্রবির নির্ধারিত ছুটি শুরু হবে আগামী রোববার থেকে। কিন্তু মাঝে শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকলেও বুধবার থেকেই বাড়ি যাওয়া শুরু করে দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয় হল ও বিভিন্ন মেস ঘুরে এমন চিত্রই চোখে পড়েছে।

বেশির ভাগ শিক্ষার্থীই বাড়ি যাবার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এছাড়া অনেকেই ইতোমধ্যে চলে গেছেন। চল্লিশ দিনের দীর্ঘ ছুটিতে মা-বাবা ও পরিবারের সঙ্গে কাটানোর সুযোগ পেয়ে সব শিক্ষার্থীই খুশি।

বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়া সমাজবিজ্ঞান বিভাগের প্রথম বর্ষের এক শিক্ষার্থী সাবরিনা আফরোজ বলেন, ‘ভর্তি হবার পর এবারই প্রথম বাড়ি যাচ্ছি বড় একটা ছুটিতে, আলাদা একটা অনুভুতি কাজ করছে। এছাড়া বাড়ি গিয়েও ক্যাম্পাসকে মিস করব, অল্প কিছুদিনেই ক্যাম্পাসকে ভালোবেসে ফেলেছি।’

ক্যাম্পাসে এখন ছুটির আমেজ বিরাজ করলেও কিছু বিভাগের শিক্ষার্থীরা এতে খুব একটা খুশি নন। এরকম একজন শিক্ষার্থী কম্পিউটার সায়েন্স এ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ( সিএসই ) বিভাগের আব্দুল জব্বার খান মিতুল। তিনি বলেন, ‘ছুটি শুরুর পরও পরীক্ষা থাকায় আমি বাড়ি যেতে পারব না। সব বন্ধুরা বাড়ি যাচ্ছে বলে খারাপ লাগছে। ভার্সিটি বন্ধের আগেই পরীক্ষাটা শেষ হলে ভালো হত। কারণ ছুটি শুরু হলেও কয়েকটি বিভাগের পরীক্ষা এখনও বাকি রয়েছে।’

তবে অনেকদিন পর এমন দীর্ঘ ছুটি পেয়ে সবাই বাড়ির দিকে ছুটছেন এবং আবার ফিরে আসবেন তাদের প্রাণের ক্যাম্পাসে এমনটাই বলেছেন শিক্ষার্থীরা।

গ্রীষ্মকালীন অবকাশ ও ঈদুল ফিতরের ছুটি শেষে ২১ জুলাই (মঙ্গলবার) থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস-পরীক্ষা আবার যথারীতি শুরু হবে।

এদিকে, বিভিন্ন বিভাগের পরীক্ষা শেষ হওয়ায় ক্যাম্পাস বন্ধের আগেই শিক্ষার্থীরা আবাসিক হল ও ক্যাম্পাসের আশপাশের বিভিন্ন মেসে থেকে বাড়ি যেতে শুরু করেছেন।

সৌজন্যেঃ প্রিয়

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *